বাংলাদেশের জয় নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম কি বলে।।








এক সময় ছিল যখন  ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হতো, তখন সবাই মনে করত ভারত ও পাকিস্তানের খেলা  মানেই চরম উত্তেজনা।কিন্তু - এখন এই উত্তেজনার অংশ হয়েছে বাংলাদেশও। এটাকে বলা যায় উপমহাদেশের ক্রিকেটে বাড়তি উত্তেজনা।
এই উত্তেজনা শুধু বাংলাদেশের দর্শক-সমর্থকদের মধ্যেই নয়, ভারতীয়দের মধ্যেও। কেউ কেউ এমনও বলেন, ভারত-পাকিস্তানের লড়াইয়ের জায়গাটা দখল করছে এখন বাংলাদেশ ও।
সিরিজে উভয় দলই ছিল তারুণ্য নির্ভর। বাংলাদেশ যেমন সাকিব, তামিম, সাইফউদ্দিনকে ছাড়া সফরে গেছে, ভারতীয় দলও বিশ্রামে পাঠিয়েছে নিয়মিত অধিনায়ক বিরাট কোহলি, অভিজ্ঞ মহেন্দ্র সিং ধোনিদের।

ভারতের শীর্ষস্থানীয় সংবাদ মাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার অনলাইন ভার্সন ম্যাচ রিপোর্টের শুরুটা করেছে এভাবে- ‘তারুণ্যভরা দুটি দলের মধ্যকার ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণের চাবিকাঠি ছিল অভিজ্ঞদের হাতেই। বাংলাদেশের সিনিয়র ব্যাটসম্যানরা সেটি করে দেখিয়েছেন যা ভারতীয়রা পারেনি।
সেখানে আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে, অথচ ভারতে পা রাখার আগে পর্যন্ত একের পর এক বিতর্ক তাড়া করে বেড়িয়েছে দলটাকে। বাংলাদেশ দলে বেতন নিয়ে বিদ্রোহ। বুকিদের কথা গোপন করে শাস্তির কোপে সাকিব আল হাসান। মাঠের বাইরে তামিম ইকবাল। আর দুঃসহ দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করে বেড়াচ্ছে এর আগে আটটি টি২০ ম্যাচ জিততে না পারার স্মৃতি। প্রবল স্নায়ুচাপ সামলে ঠান্ডা মাথায় নিজেদের ড্রেসিংরুমেই ম্যাচটা নিয়ে চলে গেল বাংলাদেশ।
দ্য হিন্দু তাদের রিপোর্টে মুশফিকের কৃতিত্বের পাশাপাশি ভারতীয়দের দুর্বল ফিল্ডিংকে রোহিত শর্মার দলের পরাজয়ের জন্য দায়ী করেছে। এ ছাড়া প্রয়োজনের সময় বাংলাদেশের দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম ও সৌম্য সরকারের পার্টনারশিপকে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করেছে পত্রিকাটি।
পশ্চিমবঙ্গের আনন্দনবাজার পত্রিকা তাদের স্বভাবসুলভ শিরোনাম করেছে, ‘ভাঙাচোরা দল নিয়েও এই প্রথম ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জিতলো বাংলাদেশ’।
আরেক পত্রিকা এই সময় মুশফিকের প্রশংসা করে শিরোনাম করেছে, ‘অনবদ্য মুশফিকুর, এই প্রথম T20- তে বাংলাদেশের কাছে হার ভারতের!’


0 Comments