অন্ধকারে আবদ্ধ আজকের যুব সমা।

আজকের বিষয় সম্পর্কে সবাই অবগত আছেন, আর তা হলো অপসংস্কৃতি বেড়াজালে আবদ্ধ যুব সমাজ ও আমাদের করণীয়। এ সম্পর্কে আমি আপনাদের সাথে আজ আলোচনা করব। ইনশাআল্লাহ।
মানব জীবনে সাংস্কৃতিক চিত্তবিনোদনের প্রয়োজন অনস্বীকার্য। তবে তার একটা সীমারেখা অবশ্যই আছে। লাগামহীন বিনোদনে লিপ্ত হওয়া যেমন সুস্থ মস্তিষ্কের পরিচায়ক নয়,তেমনি ইসলাম ও তা স্বীকার করে না। যুব সামাজের জন্য আজ প্রয়োজন এমন সুস্থ সাংস্কৃতি যা ইসলামের আদর্শে বিনির্মাণ হবে।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে আজ অপসংস্কৃতির কবলে পড়ে যুব সমাজ অন্যায় অপরাধে বুদ হয়ে ধ্বংসের পথে দাবিত হচ্ছে। আমাদের সংস্কৃতিতে নগ্নতা, অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, উত্তরোত্তর বৃদ্বি পাচ্ছে, এভাবে সংস্কৃতির নামে পাশ্চাত্যের নোংরামি ইসলামি - তামাদ্দুনকে গ্রাস করছে।
বন্ধুরা,
অপসংস্কৃতির আগ্রাসনের ফলে দেশের সকল যুবক যুবতীদের মন মানসিকতার পরিবর্তন ঘটছে। এ আগ্রাসনের ক্লাসিনকভ, মিযাইল,এটমবোমা হচ্ছে অশ্লীল ছায়াছবি পর্ণোগ্রাফী , যৌন সুড়সুড়ি মুলক বই পুস্তক পত্রিকা সাময়িকা, অরুচিকর সাহিত্য,উলংগ নারী দেহ সম্বলিত বিজ্ঞাপন, এছাড়া ও নাটক টিভি, ভিসিআর, ভিডিও, রেডিও, সিনেমা, ইত্যাদি নামের চরিত্র বিধ্বংসী যন্ত্রগুলো যুব সামাজকে পংগু করে দিচ্ছে। সাংস্কৃতিক আঘাত এমন আঘাত যে,এই আঘাতে যুবক যুবতীর হাত থেকে গোশত বিচ্ছিন্ন হয়না, বাড়ি ঘর ধ্বংস হয়না, কাওকে গৃহহারা করেনা, কোনো তরুণ তরুণীর দেহের ক্ষতি করেনা ঠিকই, কিন্তু যুবক যুবতীদের নৈতিকতা ভিতর থেকে নষ্ট করে দেয়। মানুষ হয়ে পড়ে অন্তঃসার শুন্য।
(আল্লাহ সবাইকে হেদায়েতের পথ দেখাক)
৷ পরিশেষে কবির ভাষায় বলি।
দুলিতেছ তরী, ফুলিতেছে জল,
 ছিড়িয়াছে পাল, কে দরিবে হাল,আছে কার হিম্মত।
কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান, হাকিছে ভবিষ্যৎ,
এ তুফান ভারী, দিতে হবে  পাড়ি, নিতে হবে তরী পার।।।

0 Comments