আজকে কেন সবার মুখ বন্ধ?

পৃথিবীর ইতিহাসে লিপিবদ্ধ আছে জুলুমের বহু ইতিহাস, নির্যাতনের বহু দাস্তান। এই আকাশ পত্যক্ষ্য করেছে নমরুদের উন্মত্ততা, দেখেছে ফেরাউনের বর্বরতা। এ যমিন সাক্ষী চেজ্ঞিস খান আর হালাকু খানের ধ্বংস যজ্ঞের। এমনিভাবে পৃথিবীর ইতিহাসকে কলংকিত করেছে অজস্র নির্মম নির্যাতনের কাহিনি।
আপনারা লক্ষ্য করুন ইরাক, আফগান, আরাকান, বসনিয়া, চেচনিয়া,গুজরাট, ফিলিস্তিন,কাশ্মীর সহ,বিশ্বের যে কোনো প্রান্তরে সেখানে কেবল মুসলমান রাই নির্যাতিত, বর্বর ইসরায়েলের তান্ডবে আজ রক্ত রঞ্জিত ফিলিস্তিনের পবিত্র ভুমি। আরাকানের যমিন মুসলমানের রক্ত শুষে নিতে অপারগতা প্রকাশ করছে,। আরাকানের কান্না আজ গুমরে ফিরছে পাহাড় থেকে পাহাড়ে, কন্দর থেকে কন্দরে, রক্ত সাগরে ভাসছে আজ গুজরাট।
সেখানকার মুসলমানদের আর্তনাদে আজ আকাশ প্রকম্পিত। রক্তের স্রোত বইছে কাশ্মীরের ঝিলাম নদীতে,। ইরাক  ও আফগান আজ বিধ্বস্ত মৃত্যুপুরী। রক্তস্নাত মুসলিম জনপদ থেকে ভেসে আসছে মজলুমের ফরিয়াদ, আর আর্তচিৎকার। বিশ্ব ইতিহাসে রচনা করা হচ্ছে পৈশাচিকতার এক নারকীয় তান্ডব লীলা। কোথায় আজকে মানবতার ধ্বজাধারীরা? একটি কাক নিহত হলে সারা বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি করা হয় অথচ লাখ লাখ মুসলমান কে শহীদ করা হচ্ছে, হাজার হাজার মুসলমান কে জীবন্ত অগ্নিদগ্ধ করা হচ্ছে, অসহায় তরুণী দের ইজ্জত লুন্ঠন করা হচ্ছে, তাদের চিতকারে আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হচ্ছে ; কিন্তু এই সব মানবতাবাদের ধ্বজাধারীদের কর্ণকুহরে তাদের আর্তচিৎকার প্রবেশ করে না,তাদের বিবেকের দুয়ারে আঘাত হানতে পারে না।
মুসলমানদের এই দুর্দশা মোচন করতে হলে শুধু লম্বা লম্বা বুলি আউড়িয়ে ইসলাম প্রতিষ্টার সপ্ন দেখলে হবেনা। এর জন্য চাই কার্যকরী পদক্ষেপ।
পরিশেষে বলি।
৷ এখন কেন, বুদ হয়ে  আছিস
নিদ্রাদেবীর কোলে,
৷  জেগে ওঠ, তুইরে মুসলমান
জিহাদের নিশান তুলে।


0 Comments