নবীজীর হিজরতের সংক্ষিপ্ত ঘটনা।

আজকের বিষয় সম্পর্কে সবাই অবগত আছেন আর তা হলো নবীজী (সা.)এর মাদানি জীবন নির্ধারিত এ বিষয়ে ওপর আমি আমার আলোচনা কে দুটি স্তরে ভাগ করেছি।
১,হিজরতের সংক্ষিপ্ত ঘটনা।
২,মাদানি জিন্দেগীর সং ক্ষিপ্ত  রূপরেখা।
এবার চলুন বন্ধুরা মুল আলোচনায় চলে যাই।
আজ আলোচনা করব আমি প্রথম বিষয় নিয়ে।
রাসুল (সা.) একাধারে ১০টি বছর আরব গোত্রগুলোকে বিশেষ ভাবে মক্কার কাফেরদেরকে ইসলামের দাওয়াত দেন।আরবের এমন কোন মাহফিল আর মজলিস বাদ নেই, যেখানে গিয়ে তিনি লোকদের সত্যের দিকে আহবান করেননি। এভাবেই দীর্ঘ সময়ের পথ পাড়ি দিয়ে আওস গোত্রের কিছু লোকের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা মদীনায় ইসলামের যাত্রা করার তাওফিক দিলেন। মদিনায় ইসলামের প্রসার হবে এটা আল্লাহর দরবারে মঞ্জুর ছিল। এজন্যই তো দেখা যায় ইসলামের কল্যানেই আওস ও খাজরাজ গোত্রের দীর্ঘদিনের ঝগড়া মিটে যায়। বাইয়াতে আকাবার গিরিপথ বেয়ে ইয়াসরিব মদীনাতুন্নবী হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করে।ফলে মুসলমানরা একে একে মক্কা ছেড়ে মদীনায় পাড়ি জমান।এক সময় হজরত রাসুলে কারীম (সা.)ও হযরত আবু বকর (রা.)হিযরত করলেন। পথিমধ্যে সাওর  পর্বতের গুহায় আত্নগোপন করেন। আল্লাহ তাদেরকে গায়েবী মদদে বাচালেন।যার বিস্তারিত ঘটনা সবারই জানা আছে।।
বন্ধুগণ,
মমদীনায় প্রবেশের পূর্বে রাসুলে কারীম(সা.) কোবা নগরীতে প্রবেশ করেন । সেখানে তিনি একটি মসজিদ নির্মাণ করেন। ১৪দিন কোবায় অবস্থানের পর নবী (সা.) মদীনার দিকে রওনা দিলেন। পথিমধ্যে যার বাড়ি অতিক্রম করতেন তিনিই স্বীয় গৃহে আতিথ্য গ্রহণ করার অনুরোধ করেন। এভাবে তিনি আল্লাহর ইংগিতে এক সময় মদীনায় চলে আসলেন। তারপর, প্রিয়নবী ( সা.) নগরীতে প্রবেশ করার সাথে সাথে পর্দানশীন মহিলা ও শিশু বাচ্চারা উন্মুক্ত ছাদের উপরে এসে আনন্দে গাইতে লাগলো।
ত্বালায়াল বাদরু আলাইনা,
মিনছানি ইয়াতিল অদায়।
এই সংগীত তারা পরিবেশন করতে থাকেন।
প্রিয় বন্ধুরা পড়ে আলোচনা করব দ্বিতীয় বিষয় নিয়ে তথা মাদানি জিন্দেগীর রূপরেখা নিয়ে। ধন্যবাদ সবাইকে পরের পোস্ট পেতে পেইজে একটি লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন ।

0 Comments